শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬
 গল্প 

চন্দ্রস্নান

দরজার বাইরে থেকে আম্মার খুকখুক কাশির আওয়াজ পাইলাম । রাত প্রায় একটা বাজে । এতো রাতে কাশি মানে দুইটা সিগনাল । সিগারেট জ্বালানো থাকলে নেভাও , আর আলাপটার গুরুত্ব বোঝ ।
-আম্মা আসো , এতো রাতে কাশি শুনলে ভয় লাগে।
-তুই এখনও সজাগ আছোছ ?
আম্মার দিকে তাকিয়ে হাসলাম । আম্মাও হাসলেন । তবে হাসিটা একটু মলিন । বুঝলাম আমার জন্য আবার মনে হয় কাউরে পছন্দ হইছে আম্মার ।

আমি আর আম্মা একা থাকি । সাথে আমার এক ফুফু । ওনার দুই ছেলে দুই মেয়ে থাকা সত্বেও বলেন ওনার তিনকুলে কেউ নাই । ছেলে মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে । ফুফুর আর্থিক অবস্থা ভালো । আব্বা ওনারে পছন্দ করতেন । উনি সেইটা মনে রাখছেন । দেশে জনগনের অভাব নাই , অথচ প্রকৃতির কী অদ্ভুত খেয়াল । আমরা তিন জগতের তিন মানুষ ঝাড়া হাত পা ।
আম্মা বিছানায় বসলেন । ওনারে একটু টায়ার্ড লাগতেছে দেখে আমার মন খারাপ হয় । বুঝতে না দিয়ে বলি ; কী হইছে আম্মা ? আমার জন্য। আর কাউরে মনে ধরছে ?
--নারে , তোর ঢাকার খালুর অবস্থা খুব খারাপ । তুই যদি একটু দেইখা আসতি ।

আমার চার খালু । বাড়ির খালু, ঢাকার খালু , লন্ডনের আর আমেরিকার খালু । আশ্চর্য ব্যাপার বিদেশের দুইজন মারা গেছেন আগে । বাড়ির উনি এখনও তরতাজা । ঢাকার উনার যাই যাই অবস্থা । 
আমি একটু অস্বস্তি নিয়া আম্মারে দেখি । আম্মা মাথা নিচা করেন । একটা বয়স আসলে পরে মানুষ বোধহয় কম্প্রোমাইজ করে । আমার এই ঢাকার খালার সাথে আমাদের যোগাযোগ নাই অনেকদিন ।

ঢাকার ওয়ারীর র‍্যাংকিন স্ট্রীটের বিশাল বাড়িটার সামনে যখন নামলাম , একটু অবাক হইছি । প্রায় তিন বিঘা জায়গার উপর এই বাড়িটার একটা আভিজাত্য ছিলো । এখন দেখি আভিজাত্য মরে লম্বা লম্বা বিল্ডিং হইছে । পয়সাওয়ালা মানুষদের বিরাট সমস্যা , এরা সারাজীবন পয়সার আগে আগে দৌঁড়ায় ।

বাচ্চা গেইটে ধাক্কা দিলাম । ভেতর থেকে মিলিটারি আওয়াজ আসলো ; কে?
অবাক ব্যাপার ! খালুর পুরানা কেয়ারটেকার কাবুল মিয়ার গলা এইটা । কাবুল মিয়া আমারে দেইখা জড়ায়া ধরলো । আমার খারাপ লাগেনা । বুড়া হয়ে গেছে কাবুল মিয়া , চোখে একটু পানি । মানুষের মায়া বড় বিচিত্র ধারায় চলে । নিজের খালার বাড়িতে আমি অনাহূত , অথচ কেয়ারটেকার কান্দে । সময় খারাপ। খুব খারাপ ।

ভাবছিলাম বাড়ি ভর্তি মানুষজন হবে । সেইরকম কিছু না । আমি তৃপ্তি সহকারে মাছ মাংস দিয়া খাইতেছি । খালা আমার সামনে বইসা কানতেছেন । খালুর জন্য না , আমি যে আসছি এইটা নাকি ওনার এখনও বিশ্বাস হইতেছে না ।

দেশী মুরগীর রানের জয়েন্টে কামড় দিতে দিতে বললাম ; তুমি যেইভাবে কানতেছো খালা পুরা স্টকতো শেষ হইয়া যাইবো । খালা এইবার শব্দ করে কেঁদে উঠলেন । মার্বেল পাথরে কার দ্রুত অথচ লঘু পায়ের শব্দ শুনে আমার ভেতর বহু পুরানা একটা বেহালার সুর বেজে উঠলো । মীরার পায়ের আওয়াজ আমার চেনা আছে ।
নাটকে যেমন দেখায় বাস্তবে সেইরকম কিছু ঘটলো না। মীরা খালাকে ধরে জিজ্ঞাসা করলো ; আম্মা কী হয়েছে?
উত্তরটা আমিই দিলাম ; কিছু হয় নাই মীরা, আমাদের মিলন পর্ব খালা সেলিব্রেট করতেছেন ।
মেয়েরা অভিনয় ভালো পারে । মীরা পলকে বিস্ময় লুকিয়ে বল্লো ; তুমি কখন আসছো ?
--সকালে আসছি । তুই কি ফরমালিন মাখোছ নাকি ? বারো তেরো বছর আগে যেই রকম দেখছিলাম তেমনই আছোছ । 
--তোমার স্বভাব দেখি বদলায়নি নীল ভাই ?
প্লেটে দই নিলাম । ইচ্ছা কইরা বেশি নিছি । মীরা ভ্রু কুচকে তাকালো, কিছু বল্লো না ।

সন্ধ্যার সময় খালুর রুমে গেলাম । এলাহি কারবার । রুমটা ঝকঝকে পরিষ্কার । ভাবছিলাম ডেটল ফেটলের ঘ্রাণ পাবো । তার বদলে জেসমিন এয়ার ফ্রেশনার । পুরানা দিনের ভারতীয় বাংলা ফিল্মের নার্সের মত একেবারে কড়া ইস্তিরি করা ইউনিফর্ম পরা নার্সের মাথায় টেলিভিশনে দেখা শেফের টুপী ।
খালুর হুশ জ্ঞান বোধহয় কম , তবু আমায় চিনতে পারছেন ।
রাতের বেলা এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটলো । খালু আমাদের সাথে খেতে বসলেন এবং ভালো মতই খাওয়াদাওয়া করলেন ।
খালুরে বললাম ; এরা আপনারে পুরা আই সি ইউতে রাখছে খালু । আপনি এখন থেকে রাত দশটার পর কোন অষুধ খাবেন না , দুইটা ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে বিছানায় যাবেন আর ফজরের সময় উঠবেন ।
খালু হাসলেন । সেই হাসিতে তেজ না থাকলেও অন্যরকম দ্যুতি আছে । মানুষ মারা যাবার সময় এইটা ঘটে ।

ছাদে বসে বসে সিগারেট টানতেছি । মীরা এসে পাশে বসলো । বড়লোকের ছাদে বসার সিস্টেমটাও আরামের ।
--কিছু বলবি ?
--তুমি বিয়ে করলেনা কেন ?
--ধুর , এইসব রাখ ।
--তুমি কি এখনও মেয়েদের হাত দেখো ?
প্রবল জোস্নার মাঝে মীরার দিকে তাকিয়ে আমার মায়া হলো । এই মেয়েটা ভুল করে একদিন বলছিল আমাকে ভালবাসে । আমি তখন খালার বাসায় থেকে ঢাকা কলেজে অনার্স পড়ছি । খালুর কানে যাবার পর আমার এই বাসা পর্ব শেষ হওয়ার পাশাপাশি দুইটা পরিবার আলাদা হয়ে গেলো ।
একটা দীর্ঘশ্বাস চেপে বললাম ; মেয়েরে নিয়া চিন্তা করিছ না , তোর হাজব্যান্ড তাকে নিতে পারবেনা । কানাডায় জোরাজুরি চলেনা । 
মীরা যেন ৩৩ হাজার ভোল্টের ইলেকট্রিক শক খাইছে । কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বল্লো ; আমার সেপারেশনের খবর কেউ জানেনা , তুমি কিভাবে জানলে ?
--মীরা, আমি কোনদিন মেয়েদের হাত দেখি নাই , তোদের এইখানে থাকার সময় কিরোর বই পড়ে তোর উপর প্র‍্যাকটিস করছি ।

মীরা চুপচাপ বসে থাকে । আমার একটা ভয়াবহ অসুখ আছে । মীরারে বলতে পারিনা । আমার বয়স যখন ১১/১২, এক ঘুটঘুটে অন্ধকার রাতে গ্রামের হাঁট থেকে আম্মার জন্য অষুধ নিয়া ফিরতেছিলাম । হঠাৎ দেখি আমি বাড়ির পথ খুঁজে পাইতেছিনা । আমি কান্তে কান্তে আল্লাহরে আর আব্বারে ডাকতেছি । কোথা থেকে আব্বা এসে আমার হাত ধরে বাড়ি নিয়া গেলেন । শীতের রাতে আব্বার হাতটা ছিলো গরম । হাঁটতে হাঁটতে আব্বা বললেন ; কখনও ভয় পাইছ না বেটা। 
অথচ আব্বা মারা গেছেন তারও ছয় মাস আগে । 
এরপর থেকে আমি মাঝে মাঝে মানুষের মনের কথা টের পাওয়া শুরু করি । প্রথম প্রথম আতংকিত থাকতাম । অনেক পরে এইটা নিয়া পড়ালেখা করে জানলাম এটা একটা সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার । এইটারে থট রিডিং বলে । মিলিয়নে একজন থট রিডার থাকতে পারে । আব্বার বিষয়টা হইছে হ্যালুসিনেশ । আতংকের কারণে সেইদিন এইটা ঘটছিলো ।

আম্মা, ছোট খালা ; মানে বাড়ির খালা খালু আসায় মীরাদের বাড়ি অনেকদিন পর বেশ জমজমাট লাগছে । বহু বছর আগে এই বাড়িতে আমরা খালাতো ভাইবোনরা যখন একত্রিত হতাম , খালু একদিন নিজে রান্না করতেন । আব্বা আমাদের নিয়ে আসতেন । তখন মানুষদের মনে অন্যরকম আনন্দ ছিলো । আব্বা বলতেন " গরুর মায়া জিভের ছোঁয়ায় , মানুষের মায়া আসা যাওয়ায় " ।

এই বাড়ির পেছন দিকে শান বাঁধানো ছোট একটা পুকুর ছিলো । সুন্দর গাছ গাছালি । পুরোন ঢাকার ওয়ারীর র‍্যাংকিন ষ্ট্রীট সবসময়ই অভিজাত । পুকুরটা এখনও আছে , তবে আশপাশ জংলা মত অবস্থা ।
আম্মা খালারা মহা ধুমধামে খাইতেছেন আর কানতেছেন । খালুর চোখে আনন্দের ঝিলিক । মীরা বিস্মিত হয় । কারণ সে সারাজীবন খালুকে শুধু টাকা রোজগার করতে দেখছে । একটা সময় এই মানুষটা আলোর কাছাকাছি থেকে অন্ধকারে চলে গেছিলেন , এখন ফিরে আসতে চাইতেছেন । এইটা সহজ না । আল্লাহতালা মানুষের ভেতর আলো আঁধার দুইটাই দিছেন । অন্ধকার নিয়া বেশিদিন থাকলে সমস্যা হয় । বিরাট সমস্যা ।

আমার সাথে খালু প্রতিদিন ছোট ছোট বিষয় নিয়া আলাপ করেন । আমি টের পাই এইটা অনেকটা ওয়ার্ম আপ । 
--তোমারে দুইটা অনুরোধ করি নিলয় ।
--খালু , আপনি মুরব্বী মানুষ । অনুরোধ করা লাগবেনা , তবে আপনার একটা কথা আমি রাখবো আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন । 
খালু হা করে আমার দিকে তাকালেন । উনি জানেন আমি এই বিষয়টা গোপন রাখছি । খালুর রুম থেকে আসার আগে অসহায় মানুষটা আমার হাত ধরে ক্ষমা চেয়েছেন ।আমি কখনও মানুষের প্রতি ঘৃণা বিদ্বেষ রাগ পোষণ করে রাখিনি । খালুর হাত ধরে খুব সুন্দর একটা হাসি দিলাম । আমার এই হাসিটা নাকি অন্যরকম । সংক্রামক হাসি । আমি জানিনা , অনেকে বলে । হইতেও পারে ।

অবশেষে আমি পঁচিশ ছাব্বিশ বছর পুরোন একটা পরিবারের ঠিকানা খুঁজে পেয়েছি । মানুষ এক জায়গায় বেশিদিন থাকলে তার আশেপাশেই থাকতে পছন্দ করে । তবে উনি সেই নিয়মের বাইরে চলে আসছেন ।
রজনী চৌধুরী লেনের টিন শেডের বাসা থেকে যখন বাইরে আসলাম , মনটা ভালো হয়ে গেছে । ঢাকায় অনেকদিন থাকতে থাকতে আমি ক্লান্ত । এইবার যাওয়ার সময় হইছে ।

দু'দিন পর দুপুরে উকিল , ব্যাংকের ম্যানেজার , ল্যান্ড রেজিস্ট্রি অফিসের লোকজনের সামনে খালু ওনার বাড়ির কম্পাউন্ডের ভেতরের দুইটা ব্লক এপার্টমেন্টের একটা পুরো ব্লক , আর নগদ দুই কোটি টাকা উনার প্রাক্তন ব্যবসায়ীক পার্টনারের স্ত্রীকে লিখে দিলেন । ষোলোটা ফ্লাট আছে এইখানে ।
খালু পঁচিশ ছাব্বিশ বছর আগে এই পুরো বাড়ি নিজের নামে লিখিয়ে নিয়েছিলেন । কথা ছিলো পঞ্চাশ লক্ষ টাকা কিস্তিতে শোধ করবেন । মাত্র দুই লক্ষ টাকা দেওয়ার পর জ্যোতি মোহন চৌধুরী মারা যান । ওনার স্ত্রী তিন মেয়ে আর এক ছেলে নিয়ে রজনী চৌধুরী লেনে কোনরকম টিকে আছেন । এক মেয়ে বিধবা । আমি খালার বাসায় থাকতে একদিন খালু ভদ্রমহিলাকে চাবুক দিয়ে পিটিয়ে বের করে দিয়েছিলেন । বাসায় তখন কেউ ছিলোনা । আমি খালুর হাত ধরে থামিয়েছি । এইটা খালুর পছন্দ হয়নি ।
আমাদের আত্মীয়স্বজন সবাই গুজব শুনলো মীরার সাথে সম্পর্ক থাকার অপরাধে খালু আমাকে উনার বাড়ি থেকে বের করে দিছিলেন ।

আমি অনেক হাঁটছি আমার এই ছোট্ট জীবনে । অনেক মায়ার বাঁধন কাটছি । একটা ক্ষতের দাগ ছিলো , এখন সেইটাও নাই । আমার মত মানুষদের এইরকম দাগ থাকলে সমস্যা । আমি হইছি ব্যথাশূন্য মানুষ । 
মীরার ধারণা খালুর দান খয়রাতের পেছনে আমার হাত আছে । অথচ তার জানা নাই তার দুই ভাই খালি রাস্তায় কেন এক্সিডেন্ট করে মারা যাবে? অভিশাপের কোন ধর্ম নাই ।

খালু ধীরেধীরে সুস্থ হইতেছেন । মীরারও যাওয়ার সময় হইছে । আমি দুই একদিনের ভেতর চলে যাবো । আম্মা খালা খালু চলে গেছেন । বাড়িটা ফাঁকাফাঁকা লাগে । আমি মাঝেমাঝে যেন রবীন আর সুমনের অস্তিত্ব টের পাই । পিঠাপিঠি দুই ভাই আমারে খুব পছন্দ করতো । আমার কলেজ বন্ধ থাকলে এরা আমারে সিলেট যাইতে দিতে চাইতো না ।

মীরাদের বাড়ির পেছনের জংলা মত জায়গায় দোলনাটা আগের মতই আছে । আমি বসার সময় এটা ক্যাঁচ ক্যাঁচ , কিঁচ কিঁচ শব্দে প্রতিবাদ করে । আকাশে পরিপূর্ণ চাঁদ । 
শহরের জ্যোৎস্না আর মফস্বলের জোস্নার মাঝে তফাৎ আছে । তবে এইখানে গাছ গাছালি থাকায় হালকা শিশিরের মাঝে আমি চন্দ্র স্নানে ভিজতে থাকি । আমার ভয় লাগেনা , মনে হয় যেন আব্বা পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন । 
আব্বা খুব সাহসী মানুষ ছিলেন । সাংবাদিক হওয়ার অপরাধে আমার সামনে আব্বাকে কুপিয়ে আর গুলি করে কারা যেন মেরে ফেল্লো ।
তখন দুপুর। প্রবল বৃষ্টির মাঝে আমি আর আব্বা এক ছাতার নিচে ছিলাম । তারা ছয় সাতজন যখন সামনে এসে দাঁড়ালো , আব্বা কিভাবে যেন টের পেয়ে সহসা আমাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলেন । সময় থমকে গেল । 
আমি রাস্তার মাঝে বৃষ্টি কাদায় আব্বাকে জড়িয়ে ধরে থরথর করে কাঁপছি । আমাদের অভাবের সংসারেও বড় আনন্দ ছিলো । আমি আব্বার সাথে ব্যাডমিন্টন, ফুটবল খেলতাম । আমার পৃথিবীটা ছিলো কেবলই বাবাময় । আমি টের পাচ্ছি আব্বা মারা যাচ্ছেন । আমার বড়বোনকে মরতে দেখে আমি সেই বয়সেই মৃত্যুকে চিনতে পেরেছি ।
আব্বা আমার কাঁপুনি টের পেয়ে হাসিমূখে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন ; ভয় পাইছনা বেটা , আব্বু সবসময় তোর সংগে থাকবো । 
আব্বার চোখের কোণে বৃষ্টির বড় বড় ফোঁটা কেন যেন আটকে গেছে । আচ্ছা চোখের জলের ঘনত্ব কী বেশী ? আমার জানা নেই ।

স্রস্টা বড় করুণাময় । আমার মস্তিস্কে আব্বার স্মৃতিটা পরম মমতায় লালিত করেছেন । আমি সিজোফ্রেনিক না । আব্বার শেষ কয়েকটি কথায় আমার ভেতর কনফিডেন্স সৃষ্টি হয়েছে । এগারো বছরের একটা বাচ্চার জন্য যা দরকার আব্বা অন্তিম সময়েও সেটা চেষ্টা করেছেন । 
চাঁদের আলোয় দোলনাটা এমনিতেই দুলতে থাকে । আমি ভয় পাইনা । কেন যেন মনে হয় আব্বা দূর থেকে আমায় দেখছেন । প্রবল জ্যোৎস্না ধারায় আমি দু'চোখ রাখি ।

লিখাটি ১৩৬৬২ বার পড়া হয়েছে

কামরান চৌধুরী

কামরান চৌধুরী

https://www.facebook.com/profile.php?id=100008576657719&lst=1178260450%3A100008576657719%3A1536689204&sk=photos

Follow Me:

মন্তব্য

  • চাঁদের আলোয় দোলনাটা এমনিতেই দুলতে থাকে । আমি ভয় পাইনা । কেন যেন মনে হয় আব্বা দূর থেকে আমায় দেখছেন । প্রবল জ্যোৎস্না ধারায় আমি দু'চোখ রাখি ।

    • Farm-to-table selfies labore, leggings cupidatat sunt taxidermy umami fanny pack typewriter hoodie art party voluptate cardigan banjo.

মন্তব্য করুন